মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন
সকালের বার্তাঃ- সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ও সিপিসি-২, র্যাব-৬, ঝিনাইদহ কর্তৃক যৌথ অভিযানে টাঙ্গাইল সদর থানার যৌতুকের জন্য হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ০১ (এক) আসামী গ্রেফতার*।
মামলার এজাহারসূত্রে জানা যায় যে, গত ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ খ্রি. তারিখে ভিকটিম সুবর্ণা আক্তারের সাথে ১নং বিবাদী মোঃ আয়নাল হকের পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকে ১নং বিবাদী মোঃ আয়নাল হক ও তার পরিবারের লোকজন মোটরসাইকেল বাবদ ০৫ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল। ভিকটিমের পরিবার যৌতুক বাবদ ০৫ লক্ষ টাকা না দেওয়ায় ১নং বিবাদী ও তার পরিবারের লোকজন ভিকটমের উপর মানসিক ও শারীরিক ভাবে অত্যাচার করতে থাকে। একপর্যায়ে ভিকটিমের পরিবার অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে এবং ভিকটিমের স্বামী সিঙ্গাপুর যাবে বলে ০২ লক্ষ টাকা যৌতুক দিতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে ভিকটমের শশুড় বাড়ির লোকজন বাকী ০৩ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করে আর ও অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এরই প্রেক্ষিতে গত ০৮ মে ২০২৫ খ্রি. বিকাল ০৫:০০ ঘটিকা হতে রাত ১০:০০ ঘটিকার মধ্যে বিবাদীগন যৌতুকের বাকী ০৩ লক্ষ টাকা না পেয়ে ভিকটিম সুবর্ণা আক্তার কে নিষ্ঠুরভাবে মারপিট করে খুন করে বসত ঘরের ধর্ণার সাথে গলায় শাড়ীর আচল পেচিয়ে ঝুলয়ে রাখে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের দাদী রুনা বেগম (৫৬) বাদী হয়ে টাঙ্গাইল জেলার সদর থানায় একটি যৌতুকের জন্য হত্যা মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং-৩৭, তারিখ-২৬/০৫/২০২৫ খ্রি. ধারা- ১১(ক)/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০। উক্ত মামলা রুজুর পর সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ক্যাম্প ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে কার্যক্রম গ্রহণ করে।
এরই ধারাবাহিকতায়, সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ও সিপিসি-২, র্যাব-৬, ঝিনাইদহ ক্যাম্পের একটি যৌথ আভিযানিক দল ২২ আগষ্ট ২০২৫ খ্রি. সন্ধ্যা অনুমান ১৯:০৫ ঘটিকায় ঝিনাইদহ জেলার সদর থানাধীন কাষ্ট সাগরা গ্রামস্থ এলাকা হতে টাঙ্গাইল সদর থানার যৌতুকের জন্য হত্যা মামলার ৭নং এজাহারনামীয় আসামী জথী (২০), জেলা- টাঙ্গাইল’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টাঙ্গাইল জেলার সদর থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
Leave a Reply